আগরতলা, ২২ জুলাই, ২০২৫ঃ
ত্রিপুরা বিধানসভার গৌরবময় ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক যাত্রাকে সম্মান জানাতে সোমবার বিধানসভা লবিতে অনুষ্ঠিত হলো এক বিশেষ অনুষ্ঠান—‘ঐতিহাসিক জুলাই : ত্রিপুরা বিধানসভার পদচিহ্ন’। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। তিনি বলেন, “জনপ্রতিনিধিদের জন্য বিধানসভা একটি মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানেই গৃহীত হয় জনকল্যাণমূলক নানা আইন। এটি গণতন্ত্রের এক পবিত্র পীঠস্থান।”
মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাষণে স্মরণ করান, ১৯৬৩ সালের ১ জুলাই গঠিত হয় ত্রিপুরা বিধানসভা, আর ২০১১ সালের ২২ জুলাই উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ থেকে স্থানান্তরিত হয়ে বর্তমান নতুন ভবনে কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে ত্রিপুরা বিধানসভার ৬২তম বছর পূর্তি হচ্ছে। তিনি বিধানসভার প্রাক্তন সদস্যদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং বলেন, “বিধানসভার মর্যাদা রক্ষায় সরকার পক্ষ ও বিরোধী—সকলেরই দায়বদ্ধতা রয়েছে।”
অনুষ্ঠানের সভাপতি, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন বলেন, “ঈশ্বর ও জনগণের আশীর্বাদে বিধায়করা নির্বাচিত হন। বিধানসভা প্রত্যেক জনপ্রতিনিধির লড়াই ও সংগ্রামের স্মারক।” কৃষি ও বিদ্যুৎমন্ত্রী রতনলাল নাথ জানান, “৩০ জন বিধায়ক নিয়ে শুরু হয়েছিল ত্রিপুরার প্রথম বিধানসভা। আজকের দিনটি রাজ্যের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।”
বিরোধী দলনেতা বলেন, “ভারত ছাড়া পৃথিবীর আর কোথাও এত বড় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নেই। এই জুলাই মাসেই শুরু হয়েছিল ত্রিপুরা বিধানসভার কল্যাণমুখী যাত্রা।”
অনুষ্ঠান উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী, বিধানসভার অধ্যক্ষ ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ আমগাছের চারা রোপণ করেন। বন দপ্তরের উদ্যোগে বিতরণ করা হয় ২৫০টি নানা প্রজাতির আমচারা।