আগরতলা, ১৪ আগস্ট, ২০২৫ঃ
১৯৪৭ সালের দেশভাগের করুণ ইতিহাস স্মরণে বৃহস্পতিবার আগরতলার এমবিবি কলেজের রবীন্দ্র হলে দেশ বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, দেশভাগ ছিল এক গভীর ক্ষত, যা দেশের কোটি মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্মানকে বিপর্যস্ত করেছিল। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই ইতিহাস জানা জরুরি, যাতে বিভাজনের মত পরিস্থিতি আর না ঘটে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে ২০২১ সাল থেকে ১৪ আগস্ট দিনটি দেশ বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। তিনি দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আজ ভারত এক শক্তিশালী দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে।
উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী কিশোর বর্মন দেশভাগকে ভারতের ইতিহাসের এক কলঙ্কময় অধ্যায় আখ্যা দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার আনন্দ ১৯৪৭ সালে দেশবাসী পূর্ণভাবে উপভোগ করতে পারেনি, কারণ তখনও দেশ বিভাজনের ক্ষত ছিল তাজা। কোটি মানুষ বাস্তুহারা হয়েছিল, যা স্মরণে রাখতে এই দিবস পালিত হয়।
অনুষ্ঠানে খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, উচ্চশিক্ষা দপ্তরের বিশেষ সচিব রাভেল হেমেন্দ্র কুমার, অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা, এম.বি.বি. বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. বিভাস দেব এবং এম.বি.বি. মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ড. নির্মল ভদ্র উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানের অংশ হিসেবে আয়োজিত তিরঙ্গা রঙ্গোলি প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা।