আগরতলা, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ঃ
ত্রিপুরা বিধানসভার অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন শুক্রবার ভোরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
গত ৮ আগস্ট গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন বিশ্ববন্ধু সেন। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বহিঃরাজ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বেঙ্গালুরুর অ্যাস্টার সিএমআই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই শুক্রবার ভোরে ৩ঃ৩০ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।
বিশ্ববন্ধু সেনের জন্ম ১৯৫৩ সালের ২৩ মে, উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর। পিতা ছিলেন কালী মোহন সেন এবং মাতা প্রতিভা রানী সেন।
রাজনৈতিক জীবনে বিশ্ববন্ধু সেন কংগ্রেস দলের বিধায়ক ছিলেন। ২০১৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন এবং ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।
প্রয়াত অধ্যক্ষের মরদেহ শনিবার ব্যাঙ্গালোর থেকে আগরতলায় আনা হবে। তার প্রয়াণে শুক্রবার থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে তিনদিন রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। শনিবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে। রাজ্য সরকার শুক্রবার সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিশ্ববন্ধু সেনের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন,
“ত্রিপুরা বিধানসভার অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেনের প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর এই অকালপ্রয়াণ রাজ্যবাসীর জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও অনুগামীদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।