আগরতলা, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ঃ
পেশাগত উৎকর্ষতার নিরিখে রাজ্যের একাংশ সাংবাদিকদের সংবর্ধনা জানালো ত্রিপুরা বিধানসভা কর্তৃপক্ষ। আর এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজ্য সাংবাদিক ও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর সমালোচনা। বিশেষ করে বিধানসভার মতো সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীকে অতিথি না করায় বিধানসভা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। তাছাড়া যে একাংশ সাংবাদিকদের বাছাই করে সংবর্ধনা জানানো হয়েছে সেই বাছাই প্রক্রিয়ার গতি প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে ও রাজ্য সাংবাদিক মহলের মধ্যে নানা রকম প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার ত্রিপুরা বিধানসভায় রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লুর উপস্থিতিতে রাজ্যের একাংশ বলিষ্ঠ সাংবাদিক ও কর্মরত সাংবাদিকদের হাতে সংবর্ধনা তুলে দেওয়া হয়। পেশাগত উৎকর্ষতার নিরিখে এই সংবর্ধনা জানানো হয়েছে বলে দাবি করেছে বিধানসভা কর্তৃপক্ষ। অতীতে বিধানসভা কর্তৃপক্ষের তরফে এই ধরনের সাংবাদিক সংবর্ধনা জানাতে দেখা যায়নি। কিন্তু সাংবাদিকদের বাছাই করার প্রক্রিয়া নিয়ে কোন স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে। এত যে সকল সাংবাদিকদের মঙ্গলবার সংবর্ধনা জানানো হয়েছে তবে ঠিক কী কারণে সংবর্ধনা দেখানো হয়েছে, তারা যে সাংবাদিক মহলের কাছে স্পষ্ট নয়। তালিকায় যেখানে একাংশ বলিষ্ঠ ও স্বনামধন্য সাংবাদিকরা রয়েছেন, একই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে খবর লিখে বেড়ানো সংবাদদাতাদের নাম। আর তাতেই গোটা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অনুষ্ঠান নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও চলছে জোড় আলোচনা। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। শাসক দল বিজেপির মন্ত্রী বিধায়কদের দেখা যায়নি অনুষ্ঠানে। অন্যদিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলের নেতা সিপিএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী ও কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেতা বিরোধী সিনহা। সবমিলিয়ে বিতর্কের মুখে ত্রিপুরা বিধানসভা আয়োজিত সাংবাদিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।