আগরতলা, ৭ আগস্ট, ২০২৫ঃ
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় চা বাগান কেবল অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, ভূমি ধস রোধেও চা গাছগুলি বিশেষ ভূমিকা রাখে। তবে শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক চা বাগান সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, যা দূর প্রয়োজন বলে মনে করছেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু। বৃহস্পতিবার পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সিমনা বিধানসভা এলাকায় ব্রহ্মকুন্ড চা বাগান পরিদর্শন করে এই অভিমত ব্যক্ত করেন রাজ্যপাল। এদিন চা বাগানে পৌঁছে তিনি চা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র, পর্যটন গেস্ট হাউস ও শ্রমিকদের আবাস এলাকা ঘুরে দেখেন। রাজ্যপালের সফরে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা চা উন্নয়ন নিগম লিমিটেড এর চেয়ারম্যান সমীররঞ্জন ঘোষ, ম্যানেজিং ডিরেক্টর মানিকলাল দাস এবং মোহনপুরের মহকুমা শাসক সুভাষ দত্তসহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
ব্রহ্মকুন্ড ট্যুরিস্ট গেস্ট হাউসে পৌঁছে রাজ্যপাল গেস্ট হাউস পরিচালনার বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং পরিকাঠামোগত দিক পর্যালোচনা করেন। এরপর তিনি ব্রহ্মকুন্ড শিব মন্দির সংলগ্ন চা বাগান এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। তিনি পরে ব্রহ্মকুন্ড চা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করে চা উৎপাদন প্রক্রিয়ার নানা দিক ঘুরে দেখেন ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।
সংবাদমাধ্যমকে রাজ্যপাল জানান, “ব্রহ্মকুন্ড চা বাগানটি সরকার পরিচালিত একটি চা বাগান এবং এটি বর্তমানে ভালোভাবেই চলছে। রাজ্য সরকার এর আধুনিকীকরণে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।”
রাজভবনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল ব্রহ্মকুন্ড চা বাগান দেখে আপ্লুত এবং ভবিষ্যতে ত্রিপুরার চা শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।