আগরতলা, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ঃ
বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে। এই লক্ষ্য অর্জনে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ ও বনায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
মঙ্গলবার মোহনপুরের তারানগরে তারা সুন্দরী বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত ‘ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট ফেস্টিভ্যাল ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন কৃষি ও কৃষককল্যাণ মন্ত্রী রতন লাল নাথ।
তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে জল সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ অপরিহার্য। হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও রাজস্থানে প্রায় শতভাগ ভূগর্ভস্থ জল ব্যবহার হচ্ছে, যার ফলে সেখানে গুরুতর জল সংকট তৈরি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ভূগর্ভস্থ জলের ব্যবহার প্রায় ৫২ শতাংশ, আসামে ১৫ শতাংশ এবং ত্রিপুরায় মাত্র ৯ শতাংশ।
বৃষ্টির জল সংরক্ষণের জন্য পুকুর খনন, জলাধার তৈরি এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণের প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি জানান, ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট পরিকল্পনার ফেজ ২ শুরু হয় ২০২১–২২ সালে। বর্তমানে ত্রিপুরার ১৮টি মহকুমায় ৪৮টি প্রকল্প চালু রয়েছে। ২০২৬ এর মার্চের পর ফেজ-৩ শুরু হবে। তারা সুন্দরী বাঁধ সংলগ্ন খালটি পুনঃস্থাপনের পাশাপাশি পুরো এলাকাকে জলাধার অঞ্চল হিসেবে উন্নত করা হবে। সেখানে ইকো-ট্যুরিজম গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ওয়াটারশেড প্রকল্পের সাফল্যের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত রাজ্যে ১৮১টি চেক ড্যাম, ১,০১৪টি পুকুর ও ৪৪টি অমৃত সরোবর নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৩৫টি পুকুর পুনঃস্থাপন, ৬,৯৯২ মিটার সেচ খাল নির্মাণ এবং ১,৪০০ হেক্টর এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।