আগরতলা, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ঃ
ত্রিপুরায় স্কুলছুটের হার উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। সম্প্রতি রাজ্যসভায় পেশ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে রাজ্যে মাধ্যমিক স্তরে ড্রপআউটের হার ১১.৩ শতাংশ। তুলনায় বিহারে এই হার ৬.৯ শতাংশ।
তথ্য অনুযায়ী, তপশিলি জাতি ও উপজাতি অংশের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেও ড্রপআউটের হার বেশী। ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে রাজ্যে উচ্চপ্রাথমিক স্তরে ড্রপআউটের হার ছিল ৫.১ শতাংশ এবং মাধ্যমিক স্তরে তা ছিল ১৭.৯ শতাংশ। যদিও ২০২৪-২৫ সালে এই হার কিছুটা কমেছে।
রাজ্যসভায় ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ড্রপআউটের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। সেই তালিকায় উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, চণ্ডীগড়, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, পাঞ্জাব ও তামিলনাড়ুসহ একাধিক রাজ্যের অবস্থান ত্রিপুরার তুলনায় ভালো।
ড্রপআউটের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে বলে মনে করছেন তথ্যাভিজ্ঞ মহল। পারিবারিক আর্থিক অনটন, শিক্ষায় সরকারি বিনিয়োগের ঘাটতি, স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকা, শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্কের অবনতিকে, প্রধান কারণ হিসেবে উঠে আসছে। শিক্ষাবিদদের মতে, উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলা, শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাইরের হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখা, এসবই রাজ্য সরকারের প্রাথমিক দায়িত্ব।