আগরতলা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ঃ
ত্রিপুরা আগামী ২০২৮-২৯ অর্থবছরের মধ্যে আলু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে। শুধু তাই নয়, ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে রাজ্যের উৎপাদিত আলু দেশের অন্যান্য রাজ্যেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রতনলাল নাথ। শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আলু উৎপাদনে স্বনির্ভরতার পাশাপাশি রাজ্যে আলুর চিপস প্রসেসিং সেন্টারও গড়ে তোলা হবে। এর জন্য আরকেভিওয়াই প্রকল্পের আওতায় ২০২৯-৩০ অর্থবছরের জন্য ৩৫ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, পেরুর রাজধানী লিমা থেকে এপিক্যাল রুট কাটিং পদ্ধতি আমদানি করে চাষের ফলে এ বছর রাজ্যে রেকর্ড পরিমাণ আলু উৎপাদন হয়েছে। এই সাফল্যের খবর পৌঁছেছে লাতিন আমেরিকার দেশ পেরুতেও। এরপর ইন্টারন্যাশনাল পটেটো সেন্টারের ডিরেক্টর জেনারেল সাইমন হ্যাক ও কাউন্ট্রি ম্যানেজার নিরোদ শর্মা সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য ত্রিপুরায় আসেন।
বর্তমানে ত্রিপুরায় ২৩,৭৪৫ জন আলুচাষি ৭,৬২২ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করছেন। আগে রাজ্যে দেশীয় বীজ ও পরে টিপিএস পদ্ধতিতে চাষ হলেও উৎপাদন আশানুরূপ ছিল না। কিন্তু ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে এপিক্যাল রুট কাটিং প্রযুক্তির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
কৃষিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন, ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে আলু উৎপাদনের পাশাপাশি আলু বীজ উৎপাদনেও ত্রিপুরা স্বনির্ভর হবে।